একাকিত্ত্বের ১৪২০ ও অন্ধকারের আমি

দেখতে দেখতে আরেকটা নতুন বছর চলে আসলো। আজ ১৪১৯ এর শেষ দিন….. আজ রাতে থাকার কথা ছিল বান্দরবানের পাহাড়ী ঝিরির ধারে আগুনের পাশে অথবা কুয়াকাটায় সাগরের পাড়ে। বাস্তবতার সব ভুলে প্রিয় মানুষগুলোর সাথে জঙ্গলের ভেতর তুমুল আড্ডা বা নিশ্চুপ হয়ে সাগরের দিকে চেয়ে থাকা। শালার জীবনটাই যেন কেমন, সারাদিন বাসায় ঝিম মেরে বসে থেকে সন্ধায় […]

ভালবাসার সংজ্ঞা

এই জীবনে ভালবাসা তো আর কম খুঁজলাম না, কতই তো দেখলাম। মাঝে মাঝে বন্ধুদের সাথে গল্পে গল্পে ভালোবাসার কত রকমফের শুনি, কিন্তু একটু পড়ালেখা করার জন্য কোথাও পাইনা ভালবাসার সংজ্ঞা টা ঠিক ভাবে। রবীন্দ্রনাথ থেকে জীবনানন্দ দাশ হয়ে নির্মলেন্দু….. কেউই দিতে পারলো না ভালবাসার উদাহরণটা ঠিক ভাবে। ভেবে ভেবে আউলা মাথায় বসে পড়লাম ভালোবাসার সংজ্ঞা লিখতে:

New Horizons Mission

Couldn’t stopped myself to signup and get my name on the spacecraft.

পৃথিবীর সকল বাচ্চাদের কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

তখন মনে হয় কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। প্রতিদিন বিকালে আমরা সাইকেলে করে ঘুরতে বেরুতাম, একটা রুটিনের মত ছিল। চপল, রনি, আমি আর রাজিব এক সাথে হয়ে নিজেদের কারো বাসায় আড্ডা দিতাম অথবা অন্য কোন বন্ধুর বাসায় হানা দিতাম, কিছুক্ষন বাইরে ঘুরতাম নাহলে নদীর ধারে চলে যেতাম এই ছিল রোজকার রুটিন আমাদের। তখন ফেসবুক বা সেরকম কিছু ছিলনা বার্থডে মনে রাখার, আমাদের সবারই একটা করে ছোট খাতা থাকতো ঠিকানা ফোন নাম্বার এইসব লেখার জন্য, কারো কারো খাতায় জন্মদিনও লেখা থাকতো।

সবকটা জানালা খুলে দাওনা…

আজ আমি সারানিশি থাকব জেগে
ঘরের আলো সব আঁধার করে।
তৈরি রাখো আতর গোলাপ
এদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে
ওরা আসবে, চুপি চুপি,
কেউ যেন ভুল করে গেয়নাক
মন ভাঙা গান।
সবকটা জানালা খুলে দাওনা…

আমার দেখা শাহাবাগ

হ্যা আমি বাংলাদেশের দালাল, আমি আমার লাল সবুজ পতাকার দালাল। এই পতাকার জন্য যদি হতে হয় তবে হবো সপরিবারে বেশ্যা। শুনে রাখো এই পতাকাতে যেদিন যোগ হবে চাঁদতারা সেদিন শুধু আমার একার না বাংলাস্থানের সব মানুষের চামড়া দিয়ে হায়েনারা জুতা বানাবে।

একটি সেই রকম ক্লিক, একজন নামহীন বালক ও একুশে ফেব্রুয়ারি

আচছা ভাই যদি একটা খুব ভালো শট পেয়ে থাকেন, আপনার ফ্লিকারে ফেসবুকে মানুষ বাহবা দিতে থাকবে লাইক পড়বে ঝাকে ঝাকে, এক্সিবিশনে সবাই বলবে বাহ কি চমৎকার ছবি – আমার মতো কোন বোকা যদি জিগ্গাস করে বসে ছেলেটার নাম কি? কোথায় থাকে?

রেমাক্রি খাল এর একদিন কি আমাদের ছয় দিন!

একসময় ক্লান্তির শেষ পর্যায়ে পৌছে আমরা একটা ফাঁকা যায়গায় পৌছালাম, আকাশ নিকষ কালো, সামনে শব্দ পাচ্ছি ঝরনার, আপেল বললো ডাবল ফলস এটাই। সময় তখন ঠিক রাত ১২টা। আমরা টর্চের আলোয় কিছু কাঠকুটা জড়ো করে একটা আগুন জালালাম, এরপর কিছু ঘাস কেটে তারউপর সবাই একে একে তাবু ফেললাম। সব মিলিয়ে ৪ টা তাবু। একটাতে আমি আর নিয়াজ, আরেকটাতে পুষান দম্পতি, ইমরান আর আপেল একা ঘুমাবে আমাদের ব্যাগ সহ। তাড়াতাড়ি করে রান্না করে খেয়ে নিলাম সবাই, পোলাউ এর চালের ভাত, বেগুন ভর্তা আর চিংড়ির সুটকি ভর্তা। আমি এর মাঝে একটা বড়সি ফেলে এসেছি, মাছ পেলে সকালে খাওয়া হবে।

চ্যাপ্টার: খাবার দাবার…

খাবার দাবার… “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি” -কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য . একজন সাধারন পর্যটকের ঘোরাঘুরির সাথে এডভেন্চার প্রিয় পর্যটকের ঘোরাঘুরির অনেক কিছুই মিলবে না, যেমন ধরো খাবারের ব্যাপারটা। সাধারন একটা ট্রিপে খুব সহজেই লোকালয় থেকে বা দোকান থেকে খাবার কিনে খাওয়া যায়, কিন্তু তুমি যখন এডভেন্চারের নেষায় লোকালয় থেকে অনেক দুরে […]

একটি দুর্দান্ত কেস ও তিন গোগোন্দার সমাপ্তি

একদিন হন্তদন্ত হয়ে রুপক হাজির, সে একটা কেস পেয়েছে, আমাদের বললো স্কুলের পর অপেক্ষা করতে। কথামতো আমরা স্কুল শেষে একসাথে রওয়ানা দিলাম। রুপক আমাদের নিয়ে গেলো রাজশাহী কলেজের ভেতরে একটা ভাংগা পরিত্যাক্ত বিল্ডিংএ, আমরা বল খুজার ভান করে দেখতে লাগলাম কয়কটা ছেলে কি যেন করছে গোল হয়ে। রুপক বুঝায়ে বললো ওরা ড্রাগস পাচারকারি দলের সদস্য,