প্রথম প্রেম ও মাটির ময়না

“এই গল্পের সকল নাম ও চরিত্র কাল্পনিক, কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতলীয়”

ফারিনের সাথে প্রথম পরিচয় আমার বন্ধু রাশেদের মধ্যমে। ও ঐসময় একটু ঝামেলাতে ছিল, ফোনে প্রায়ই কথা হতো। আস্তে আস্তে প্রয়োজন ছাড়াও কথা বলা শুরু হলো, একটা সময় আসলো আমরা একটু পর পর ফোনে কথা বলতাম নাহলে মেসেজ মেসেজ খেলতাম। সময়টা ২০০১ সালের শেষের দিকে বা ২০০২ এর প্রথমে, তখন আমি ফুল টাইম ছাত্র, কষ্টে শিস্টে দিন কাটে, বন্ধুদের সাথে নিকুন্জ ২ এ মেস বানিয়ে থাকি। ফোনের বিল ৭ টাকা মিনিট, অনেক কষ্টে একটা ৩০০ টাকার কার্ড ভরে আমরা তখন চেষ্টা করতাম ২১ দিন পার করার (সবার নিস্চয় মনে আসে সেই সময় গুলার কথা). বেশির ভাগ সময় আমরা বন্ধুদের খোঁজ খবর নিতাম মিস কল দিয়ে। মিস কল দেয়া মানে কেমন আছিস, মিস কল পেলে বুঝতাম ভালো আছে। বুঝলেন দাদা, আমার এই এক সমস্যা এক জিনিস লিখতে যেয়ে অন্য প্রসংগে চলে যাই, ক্ষমা করবেন।

তো যেটা বলছিলাম, মোবাইল ফোনের সেই দুর্দিনে ফারিনি আমাকে সব সময় কল করতো কারন আমার ফোনে টাকা থাকতো না বেশিরভাগ সময়। আমরা সারাদিন মেসেজ মেসেজ খেলতাম, রাতে ইয়াহু মেসেন্জারে কথোপকথন চলতো, মাঝে মাঝে ও যখন কম্পিউটারের সামনে থাকতো না বা নেটে সমস্যা থাকতো তখন আবার মেসেজ মেসেজ খেলা, আমি বেশিরভাগ সময় আই-সি-কিউ দিয়ে এসএমএস করতাম, ও উত্তর দিত ফোন থেকে।

একটা সময় আসলো আমরা সারাদিন কথা না বলে থাকতে পারি না, কত দিন পরীক্ষা দিতে ঢুকেছি – বের হয়ে মোবাইল অন করে পেয়েছি মেসেজ “পরীক্ষা শেষ? খেয়েছো? ফোন দাও” এই টাইপের মেসেজ, ফোন অন করার আগেই জানতাম এমন মন ভালো করা কিছু একটা থাকবে। বাসায় বন্ধুদের যন্ত্রনায় বেশিরভাগ সময় ছাদে চলে যেতাম, কত রাত পার হয়ে ভোর হয়ে গেছে কথা বলতে বলতে তার হিসাব নাই।

ঢাকার রাস্তায় আমরা রিক্সা নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম, ও এখানে ওখানে খাওয়াতো। মাঝে মাঝে ওর বাসায় যেতাম কম্পিউটার ঠিক করার অজুহাতে 🙂 সুজোগ পেলে হাতটা ধরে বসে থাকতাম। সুন্দর একটা সময় চলে যাচ্ছিল।

২০০২ সালের অক্টোবর মাসের ১৪ তারিখ, কোন কিছু না বুঝেই বেশ কিছুদিন আগে জাতিসংঘের একটা অফিসে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলাম, সেখান থেকে ফোন আসলো আমাকে ২ দিনের মধ্যে জয়েন করতে হবে। দুজন আমরা একসাথেই ছিলাম ঐ দিনটা। শুরু হলো নতুন জীবন, সকাল ৭ টায় অফিসে যাই, ফেরার সময় কোন কোন দিন দেখা করে যাই ওর সাথে, আগের মত আর কথা হয়না সারারাত…. এর মাঝে চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা সত্য টাইপের কথা হয়েছে কয়েকবার, চলো বিয়ে করে ফেলি বলে আমি ঠাট্টা করতাম।

এক ছুটির দিনে আমাদের প্ল্যান ছিল মাটির ময়না দেখতে যাবো মধুমিতাতে, কিন্তু ও জানালো ওর ক্লাসের কাজ আছে পারবে না যেতে, মন খারাপ করে বাসায় বসে ছিলাম। বন্ধুরা জোর করে আমাকে নিয়ে গেলো মাটির ময়না দেখাতে। ঐ দিন মনে হয় না গেলেই ভালো হতো।

মুভি শুরুর পর আমার এক বন্ধু দেবু বললো দোস্ত সামনে ঐটা ফারিন না? আমি তো এমনেই চোখে কম দেখি, তার উপর অন্ধকার। যাই হোক বিরতিতে বের হয়ে দেখা হয়ে গেলো ওর সাথে, ও এক বন্ধুর সাথে এসেছে, আমি মনে মনে ফুসছি “এই ক্লাসের কাজ”! আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল কাজিন রাব্বি হিসাবে। মুভি শেষ করে বের হলাম, ওর বন্ধু রোমান বললো আমরা একদিকেই যাবো, একসাথে যেতে। আমরা একসাথে যাচ্ছি, অনেক কথা হলো, কি করি, কোথায় থাকি এইসব।

ঐ দিন রাতে বাসায় ফিরে রোমানের ফোন পেলাম, আমাকে জিগ্গাস করলো আমার আরেক নাম কি টুটুল, বুঝলাম আমার বন্ধুরা যখন আমার সাথে কথা বলছিল তখন খেয়াল করেছে মনে হয়, আমি বল্লাম হ্যাঁ। জিগ্গাস করলো আমি আসলে কে, ফারিনের কাজিন রাব্বি নাকি রাশেদের বন্ধু টুটুল! আমি বুঝলাম প্যাচ লাগসে কোন একটা। আমি বল্লাম দুইটাই, ও আমাকে কেনো কাজিন পরিচয় দিল জানিনা, কিন্তু আমিই রাব্বি আমিই টুটুল। আমাকে এবার জিগ্গাস করলো আমার সাথে ওর কি সম্পর্ক? আমি বললাম ও আমার গার্লফ্রেন্ড, সে অবাক হয়ে বললো সেও নাকি ফারিনের বয়ফ্রেন্ড। এবার আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। এর মাঝে ফোন আসা শুরু হয়েছে ফারিনের, আমাকে ফোন ধরে প্রথমেই বললো কোন ফোন আসলে আমি যেন না ধরি এখন, আমি বললাম আমার সাথে কথা হয়েছে রোমানের। কি কথা হয়েছে শুনে রেখে দিল ও।

পরদিন আবার ফোন করলো রোমান, বললো ফারিন অস্বিকার করেছে যে আমার সাথে ওর কোন সম্পর্ক আছে, সে সামনা সামনি কথা বলতে চায় ৩ জনে, কিন্তু ফারিন রাজি হচ্ছে না। ওদের সম্পর্ক কত গভীর এমন আরো অনেক কিছু রোমান আমাকে বললো যা আমাকে না বললেও চলতো, আমার সাথে কতটুকু গভীর সম্পর্ক তাও জানতে চাইল, আমি একটু অবাকও হলাম এসব কথা কিভাবে আরেকজনকে বলে একটা মানুষ। অনেক চেস্টা করেও আমি আর ফারিনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে পারি নাই, একবার শুধু ও বলেছিল আমার সাথে ওর কোন সম্পর্ক নাই, সবই আমার মনের ভুল। তারপরে কত দিন পার হয়েছে মনে নাই, সকালে যন্ত্রের মত অফিস যেতাম বাসায় ফিরে চুপচাপ ছাদে বসে থাকতাম একবুক অভিমান নিয়ে। বন্ধুরা কেউ একজন এসে ধরে নিয়ে যেত খাওয়ার সময়। কত দিন রেলিংয়ে বসে মনে হয়েছে লাফ দি নিচে, তাকায়ে থাকতাম নিচের দিকে।

এর মাঝে একদিন খবর পেয়ে রাশেদ হাজির, আমাকে নিয়ে বিচার বসলো, বললো আমি যেন আর কখনই ফারিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা না করি, আমি বললাম পারবো না। শর্ত দিল যদি যোগাযোগের চেষ্টা করি তাহলে ওর সাথে আমার বন্ধুত্তের ঐ দিনই ইতি হবে। আমি দেখলাম মহা ঝামেলা, বললাম কত দিন, ও বললো ২ বছর। রাজি হলাম।

সময় সব ঠিক করে দেয়। বছর পেরিয়ে বছর চলে যায়, আমি আমাতে ফিরে যাই। বন্ধুরা বলতো আমি নাকি ফারিনের মত সুর করে হ্যালো বলি ফোনে, আস্তে আস্তে আবার ফিরে যাই আমার হ্যালোতে। আবার ডুবে যাই আমার নিজস্ব জগতে, মেতে উঠি নতুন শখ এমেচার রেডিও আর এলেকট্রনিক্স কাজ নিয়ে। ২ বছর পার করে একদিন ফোন দেই ফারিন কে। ও দেখা করতে আসে আমার উত্তরার বাসায় এক বন্ধু কে নিয়ে, বেশ কিছু বই নিয়ে যায় যাওয়ার সময়। ফারিন বইগুলো কি আছে আজও?

ফারিন একসময় বলেছিল একটা ভ্রমন ক্লাবের সাথে ও কেউক্রাডঙ পাহাড়ে গেছিল, সেখানে হাচড়ে পাচড়ে উঠতে হয়, অনেক দুরের পথ, অনেক মজা। আমি অবাক হয়ে শুনতাম সেই গল্প। তারপর অনেক বছর পরে একসময় ঘুরেছি ভ্রমন বাংলাদেশ নামক ক্লাবের সাথে, ওদের পুরান এলবামে দেখেছি ফারিনের ছবি। এরপর অনেক পাহাড়ে ঘুরেছি, মনের কোন গহীনে কি লুকিয়ে ছিল ফারিন পাহাড়ে কি পেয়েছিল সেটা জানার! নিজেও জানিনা আমি। দেখতে দেখতে ১০ বছর চলে গেছে। কত বার বাসা পালটালেও আজও দরজার হাতলে বাজে রিনরিন করে ১৪ই অক্টোবর ২০০২ এ ওর দেয়া গিফটটা।

সেই সময় যে প্রচন্ড মানষিক কষ্টের ভেতর দিয়ে পার করেছি কয়েকটা মাস, এত কষ্ট হতো না যদি ফারিন আমার সাথে বসে খোলাখুলি ভাবে কথা বলতো, বুকের ভেতর কষ্টটা ছিল আসলে ও আমাকে কিছু না বলে হারিয়ে গেলো। হয়তো ও কোন ঝামেলায় পড়ে গেছিল, কম বয়স, না বুঝে। অথবা হয়তো আমার জন্য ওর অনুভুতিগুলা ভালোবাসা ছিল না, ছিল অসহায় একটা ছেলের জন্য মায়া।

অনেকদিন পর আবারো পড়লাম ওর চিঠি ২টা, কত দিন এই স্মৃতি জমিয়ে রাখতে পারবো জানিনা, তাই লিখে ফেললাম (ফারিন ক্ষমা করে দিও, তোমার অনুমতি ছাড়াই প্রকাশ করে ফেললাম। তবে বই যেমন ১০০ বছর পর কপিরাইট থাকে না, তেমন চিঠিও মনে হয় ১০ বছর পর প্রকাশ করা যায়)
********
প্রথম চিঠি:

কেমন আছ?
কি করছ!
চিঠি লেখার সমস্যা হলো…যে প্রশ্ন করা হয়, তার উত্তরগুলো নিজেই ভেবে নিতে হয়। চিঠি পড়ার সমস্যা হলো অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া। অন্তত এটা বলতে পারি যে, আমার অনেক প্রশ্নই থাকে। সে কারনে আজ আমি বদলে যেতে চাই। কোন প্রশ্ন ছাড়াই নিজের কথা লিখছি //

এখন আমি ভীষন বিক্ষিপ্ত। যে অনিশ্চয়তা তৈরী করেছি, তা থেকে বের হতে পারছি না।
ভালবাসাহীন মানুষকে ভালবেসে ভালবাসাহীনতায় ভুগছি। আর যারা দাঁড়িয়ে আছে ভালবাসা নিয়ে তাদের এড়িয়ে যাচ্ছি।
স্বভাব বিরুদ্ধ কাজ করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত //

ভাবছি বন্ধুরা এখন ঘৃনা করতে শুরু করে দিয়েছে হয়তোবা। অথচ… সবসময়ই চেষ্টা করেছি সবার প্রিয়, কাছের মানুষ হতে।

আমি সবসময়ই অস্থির আর ক্ষ্যাপাটে… হয়তোবা এলোমেলো। মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকেছি বারবার। তবুও অবিশ্বস্ত হতে পারিনি, কিন্তু আজ আমি অনেকটাই অবিশ্বস্ত; নিজের কাছেই//
বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছো, হয়তোবা ঠকাচ্ছি তোমাকেও।
জীবনটা এখন আভিশপ্ত। যদি পার, এই ছায়া থেকে দুরে চলে যাও//
ভালো থেকো/
‘বন্ধু’

******
শেষ চিঠি:

অনেকটা সময় তোমার সাথে ছিলাম; অবশ্য সবসময়ই এভাবে থাকা ভালো লাগে! কিন্তু এই অর্থহীন ভালো লাগা(!) কষ্টই তো বাড়ায়, তাইনা?

আমি খুব শক্ত বা বলতে পার কঠিন সম্পর্কেই আটকে গিয়েছি হয়তোবা যাচ্ছি। জানিনা কখন থামতে হবে বা থামার সময় পাব কিনা, অনির্দিষ্ট, অনিশ্চিত—— সবই ।।

জানিনা তোমার অবস্থানে তুমি কতটা দৃঢ়; তবে আমি তো ভীষন এলোমেলো।
এত কাছে আসার কারনে হয়তোবা আমার ভালোবাসা অন্যদিকে বদলে যাবে যা তুমি প্রথমেই নিষেধ করেছ; কিন্তু আমি কি পারবো নিজেকে ধরে রাখতে??

তোমার চাওয়া কি উপেক্ষা করতে পারি!!!
‘না’ পারিনা, হেরে যাই বারবার। তোমার কি আমার মতই কষ্ট তৈরী হচ্ছে?
আমার সব কথাতেই আজ তুমি agree করেছ, তোমার কাছে সবকিছুই fun, game বা অন্য কোন কিছু। কিন্তু আমি … … ‘না’ আমি পারিনা tension থেকে বের হতে, আমার limitation আছে;

আবারও কি এলোমেলো কথা লিখছি?

হ্যাঁ, এখনো আমি নির্ঘুম রাত কাটাই, জানিনা কেন এমন হয়।
তোমার সমস্যা বাড়িয়েছি। রাশেদ দা বলেছে আমার life নিয়ে experiment আমি করতেই পারি, তবে এসব নিয়ে যাতে discuss না করি তোমার সাথে। ভেবে দেখলাম সত্যিই তাই। অযথা তুমিই বা কেন এসব নিয়ে ভাবছো।। ভুলে যাও পুরোনো সবকিছু।

সব কিছুই চাই আমি, তা কি সম্ভব! আমি তোমাকে দেয়া word গুলো ভুলে যাইনি। চেষ্টা করবো তোমাকে বিরক্ত না করতে, তোমার পৃথিবী থেকে delete করে দিও তো।।
সবসময় বলো, “তুমি যা চাইবে তাই হবে, কোন সমস্যা নেই।” সত্যিই কি তাই!!!

ভালো থেকো, আমার জন্য … ভুল লিখলাম নিজের জন্যই ভালো থেকো; কথা হবে, দেখাও হবে অন্যকোন সময়, অন্য কোন দিন ।।

‘আমি’

******

ফারিন, বেশ কিছুদিন আগে ইমনের দোকানে তোমাকে দেখলাম, হয়তো ভুলে গেছো আমার চেহারা, চিনতে পারো নি। আমি এখনো অপেক্ষায় আছি হয়তোবা দেখা হবে অন্য কোনদিন অন্য কোন সময়, একটু কথা হবে, আমি জানবো আমি কি দোষ বা ভুল করেছিলাম?

উপলব্ধি: আমার জীবনটা মনে হয় কেমন যেন একটা সাইকেলে আবদ্ধ, একি ঘটনার পূনর্রাবৃত্তি। মায়া আর ভালবাসার পার্থক্য আমি আসলেই হয়তো বুঝি না। মায়া কে ভালবাসা ভেবে ভ্রম হয়। একটু ভালোবাসার জন্য সব কিছুতেই রাজি, কিন্তু মনে হয় আমারো কিছু চাওয়া রাখা উচিত, যা না চাইতে পাওয়া যায় তার কোন মূল্য থাকে না। সারাজীবন হয়তোবা অভিমানেই কেটে যাবে।

রাত ৪টা, ২৪ এপ্রিল ২০১৩।


12 Responses to “প্রথম প্রেম ও মাটির ময়না”

  1. Anika says:

    shundor golpo … chithi gula mojar .. ajkal ato vab gomvir chithi keu likhe na , chithi e likhe na …..

  2. Ruhi says:

    tomar kono likhate ai 1st ami comment korlam!… asole na kore parlam na vaiya… likhatai amon….. odvut kintu mon kharap kora……..

  3. Tapon says:

    khub shadharon akta ghotona. oneker jibonei ghote. tobe ai rokom kabbik vabe uposhapon sobai korte pare na.
    achcha chithi duita ki hubahu chapaichen naki kichu modify korchen?

    • Rabby says:

      দাড়ি কমা সেমিকোলোন সহ হুবুহু 🙂

    • Tapon says:

      kamne. chithir vitor … airokom 3 ta dot ak sathe ache. keu airokom … dia hat chithi lekhe?

    • Fazlay Rabby says:

      ভাই চিঠির ভিতরে ….. !! // এমন অনেক কিছুই ছিল 🙂 খুজলে হয়তো গুপ্তধনের ক্লু পাওয়া যাবে 🙂

  4. SO says:

    ………………………………

  5. এক্স says:

    এই লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন।

    http://www.somewhereinblog.net/blog/mysteryguy/29737303

    • s21rc says:

      আরে মিলে যায় অনেক কিছু, আমিও ঐ রোগেই ভুগছি, বেরিয়ে আসতে হবে সচেতন ভাবে।

      “নো মোর মিস্টার নাইস গাই” পড়বো কখনো পেলে। ধন্যবাদ আপনাকে।

  6. এক্স says:

    মেইল এড্রেস দেন, মেইল করে দেব। আর মোস্ট ওয়েলকাম।

    • Rabby says:

      ধন্যবাদ আপনাকে, আমার মেইল fazlay.rabby এ্যট gmail.com, অপেক্ষায় থাকলাম বইটার।

  7. Nibir says:

    Erokom pray hoi asele..kom boyose onekei bujhe na nije ki chay..life nie experiment kora bhalo,but onnooner life e kottuk effect kortese oitao mone hoi mathay rakhara khub joruri…apnar presentation khub bhallagse… 🙂

Leave a comment