কয়েকদিন রোমান সম্রাজ্যে অনর্থক ঘুরাঘুরি….!!

আমার সাথে ভেনিস এর জলপথে যারা সঙ্গি হয়েছিলেন তাদের আজ নিয়ে যাব রোমান সম্রাজ্যে। ভেনিস থেকে রাতের ট্রেন এ রওনা দিলাম রাজধানী রোম বা রোমা-র উদ্দেশ্যে। রাতের ট্রেনে যাওয়ার একমাত্র কারন মুল্যবান সময় সেভ করা, সাথে বোনাস হিসাবে হোটেল ভাড়া বেঁচে যাওয়া তো আছেই, খারাপ দিক বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাওয়া হয় না। স্লিপার কামরায় [...]

একদিন আল্পস এ…

গতবছর জার্মানির যে স্হানে একটা ট্রেনিং করছিলাম আমরা সেখানে ধুধু মাঠের ওপাশে দুরে দেখা যেত বরফাচ্ছন্য আল্পস পর্বতমালা। এই আল্পস কে বিভিন্ন ভাষায় ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হয় যেমন আলপাইন, আলপি, আলপে ইত্যাদি। এক রবিবার ঠিক করলাম আমরা পাহাড় দেখতে যাব, সঙ্গি হিসাবে আরো কয়েকজন কলিগ কে পটায়ে ফেললাম খুব অল্প সময়ের মধ্যে। ওখানকার একজন [...]

ISS crossband repeater: voice s21rc & vu3tyg

Last few months I was chasing the International Space Station and some other Satellite like AO-51. I was trying to use different modes of communication NASA approved for the ISS amateur radio setup. The cheap eggbeater antenna I home-brewed (made) and used to receive the SSTV image from the space station was showing its age, the physical shape of the antenna was not what it was when I fixed it on my rooftop over the water-tank, the electrical joints were corroded. I guess the polarization was changed as well due to the above problems, you will hear the fadeout of reception during the conversation.

Live camera image from International Space Station

Live camera image transmitted from the “International Space Station (ISS)” is captured by me, Fazlay Rabby, call sign S21RC for the very first time in Bangladesh. The transmission was received on 18 October 2008 at 4:18 PM local time when the ISS was flying its 56,793 number orbit, 1700KM away from Dhaka and at a [...]

সুন্দরবনে ভেসে চলা… (ফটো ব্লগ)

২০০৫ সালের শেষের দিকে ৩য় বারের মত ঘুরতে গেলাম সুন্দরবন, আগের দুইবার অনেক বছর আগে মায়ের কোলে চড়ে পিকনিক করতে গেছিলাম শুধু এইটুকু মনে আছে। “গাইড ট্যুরস” নামের পর্যটন সংস্হার জাহাজে ৩ রাত ৪ দিন এর প্যাকেজ ট্যুর। এই ট্যুরের উদ্যক্তা আমার আগের অফিসের বস স্টিভ। আমরা প্রায়ই এখানে ওখানে যেতাম ঘুরতে, সুন্দরবনের কথা শুনে [...]

ভেনিস এর জলপথে…

ট্রেন স্টেশন থেকে বেরিয়েই মাথায় হাত, সামনে দেখি নদী, রাস্তা ঘাট কিছুই দেখি না। ভুল বললাম, রাস্তা না দেখা গেলেও ঘাট দেখা যাচ্ছে। ষ্টেশন এর ভেতরের টুরিষ্ট অফিস থেকে হোটেল বুকিং দিয়েছি, সাথে ম্যাপ আর শহরে চলাচলের নির্দেশিকা ফ্রি। বুড়ি মহিলা বলে দিয়েছে স্টেশন থেকে বের হয়ে বড় রাস্তা ধরে বাম দিকে কিছুদুর গেলে হোটেল দেখতে পাবো, নদীনালা পার হওয়ার কথা বলে নি কিছুই।

আবার ঢুকলাম ভেতরে, রাস্তা খুঁজে পাইনি জানাতে ফোকলা দাঁতে হাসি দিয়ে বলল স্টেশনের বাম দিক দিয়ে হেটে যেতে। হাটা শুরু করে বুঝলাম এই চিপা রাস্তাই এখানে বড় রাস্তা। হোটেল দেখে তো মনে মনে গালি দিলাম বুড়ি কে, বলেছিলাম মাঝারি মানের হোটেল চাই যেখানে এটাচ বাথ ও ডাবল সাইজ বেড ওয়ালা রুম আছে, বেশ অনেকগুলো ইউরো গুনে এসেছি নগদ অথচ এখন দেখি পালেস্তারা খসা পুরান ঝরঝরে এক বাসার উপর হোটেলের নাম শোভা পাচ্ছে (চিৎ-কাত বোর্ডিং এর মত চেহারা)। কি আর করা মনে মনে নিজের কপাল কে গালি দিতে দিতে রুমে ব্যাগ রেখে বাইরে বের হলাম ঘুরতে, একটু পরে অবশ্য বুঝতে পারলাম এখানে সব ঘরবাড়িই সেই পুরানো আমলের, কোন কিছুই বদলান হয় নাই। পাঁচ তারা হোটেল থেকে শুরু করে ডিজনির শোরুম সবই ভাঙা দালানে।

বিরিশিরি ও রানিক্ষং এর পথে সমেশ্বরী নদীতে..

গত বছরের মার্চ মাসে আমি আর সোহেল ঠিক করলাম কোথাও ঘুরতে যাবো, উপলক্ষ ২ টা। ওর নতুন সনি ডিএসএলআর আলফা২০০ ক্যামেরা দিয়ে কিছু ছবি তোলা ঢাকার বাইরে আর আমার পাগলামির নতুন সংযোজন ইনফ্লেটেবল নৌকা টা চালিয়ে পরীক্ষা করা।

বিজয় স্বরণি তে গ্রামীনফোনের একটা বিলবোর্ডে বিরিশিরির নদীটার ছবি দেখে মনে গেঁথে ছিল।

প্যাগসাংহানের ঝরনা ও পাহাড়ি ক্ষরস্রোতা নদীতে নৌকা !

প্যাগসাংহান জল প্রপাত এবং এর থেকে সৃষ্ট খরস্রোতা নদী ফিলিপাইনের কয়েকটি নামকরা পর্যটন যায়গার একটি। ম্যানিলা থেকে ২/৩ ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে লুজোন শহরে যেতে হবে বাসে অথবা গাড়ি নিয়ে। বাসে গেলে লুজোন থেকে জীপনি (চান্দের গাড়ি টাইপ) নিয়ে বোট ষ্টেশনে যেতে হবে। এখান থেকে প্যাগসাংহান নদীর পাহাড় ছেড়ে সমতল এ যাত্রা শুরু হয়েছে। বোট ষ্টেশনে আমরা ৪ জন কাপড় চেন্জ করে স্যান্ডেল আর হালকা কাপড় পড়ে গায়ে লাইফ জ্যাকেট বেঁধে ২ টা ক্যানু নিয়ে রওনা দিলাম। যারা ক্যানু কি ভাবছেন তাদের জন্য, ক্যানু একধরনের লম্বা নৌকা, অনেকটা আমাদের দেশের তাল গাছ খুদে যে নৌকা গুলো তৈরী হয় তেমন দেখতে। একেকটা ক্যানুতে সামনে পেছনে ২ জন মাঝি ও মাঝে আমরা ২ জন যাত্রি।

My IC-7000 radio back to life

One lovely sunny weekends morning I found my 6 months old ICOM IC-7000 is not turning on. Something is wrong, when I press the power button, there were only a relay clicks followed by another clicks seems the relay disengaged it self. There was no display or sound. First thing I check are the two external fuses and one internal (behind the control head) fuse and seems all are fine. I checked my combine P/S & battery voltage level, nice 13.8V. Next thing I did is remove all cables from the radio and left it untouched overnight, next day connected the radio, but again no luck.

ভি-স্যাট এর অপর প্রান্ত.. আর্থ ষ্টেশন (যারা সবসময় যন্ত্রপাতি খুলে দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য..)

এই টেলিপোর্ট এর ২৫মিটার ডায়ামিটারের প্রথম এন্টেনা টা তৈরী করা হয়েছিল ইন্টেলস্যাট-১ এর জন্য যা কিনা পৃথিবীর ৫ম স্যাটেলাইট এন্টেনা । ৩য় এন্টেনা টা তৈরী করা হ্য় ১৯৭২ এর অলিম্পিক গেমস প্রচারের জন্য। বর্তমানে সর্বমোট ১৯টি দৈতাকৃতির এন্টেনা ও ১,২০,০০০ বর্গফুট ডাটাসেন্টার নিয়ে চলে এর কাজকর্ম। ২০০৬ সালে “ইমার্জিং মার্কেটস কমিউনিকেশন” নামের বেসরকারি প্রতিস্ঠান এই টেলিপোর্ট এর মালিকানা গ্রহন করে।

এই টেলিপোর্ট টি রেইস্টিং এ তৈরির কারন এই স্হানে কয়েকটি হাইস্পিড ফাইবার কেবল এর টার্মিনেশন রয়েছে, এবং এখান থেকে স্যাটেলাইট ট্র্যাক করার কি নাকি একটা সুবিধা রয়েছে যা পৃথিবীর মাত্র কয়েকটি যায়গায় সম্ভব (ব্যাপার টা আমার মাথায় ঢুকেনি ঠিক ভাবে)। ফাইবার ল্যান্ডিং টা এখন এই টেলিপোর্ট এর ভিতরে কিন্তু সেটুকুর মালিকানা এখনো জার্মান টেলিকম এর। ৩য় বিশ্বযুদ্ধ এবং নিউক্লিয়ার বোমার কথা চিন্তা করে মাটির অনেক নীচে আছে একটি বিশাল ফ্যাসিলিটি, সেখানে এখনো রাখা আছে শোয়ার জন্য খাট, খাওয়ার পানি ও অন্যান্য রশদ।