ক্যারিবিয়ান সাগরের তলদেশে….

যেকোন নতুন দেশে গেলে যদি আশে পাশে সাগর থাকে আমি অবশ্যই সেখানে যাবো, সাগর টানে আমাকে ভাটার টানের মত। গ্তবছর বন্ধু রনি অস্ট্রেলিয়া থেকে স্নোরকল এনে দেয়ায় ওটা এখন আমার ট্রাভেল ব্যাগের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে থাকে। আর নতুন কোথাও গেলে আন্ডারওয়াটার ক্যামেরাটা নিতেও আজকাল ভুলিনা। কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনে ২ মাসের জন্য হাইতির রাজধানি পোর্ট-ও-প্রিন্স এ আস্তানা [...]

প্রবাল দ্বীপের সাগর তলে

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে ভ্রমন করেন প্রতিদিন হাজারো দেশি বিদেশী পর্যটক। পর্যটকদের কাছে অপরূপ এই দ্বীপের মূল আকর্ষন সাগরের সুনীল জলরাশি আর নারকেল গাছের ছায়ায় ঢাকা বিস্তির্ন সাদা বালুকাবেলা। মুল দ্বীপের কোলাহল থেকে আরেকটু দুরে আছে ছেড়াদিয়া বা ছেড়াদ্বীপ যা কিনা জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সেন্ট মার্টিন থেকে। ছেড়াদিয়ার কেয়া গাছের সারি [...]

ছেড়াদিয়ায় তারার নীচে একরাত…

ঈদের সময় সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পানির নীচের ছবি তুলতে গেছিলাম সে সব তো আগেই শুনেছেন, কিন্তু ঐ রাতে যে আমরা ছেড়াদ্বিপে থেকে গেছিলাম তা মনে হয় বলা হয় নি। আমি আর ফয়সাল আগে থেকেই প্ল্যান করে গেছিলাম যে সারাদিন পানির নীচে ঘুরে ফিরে রাতটা ছেড়াদিয়াতেই কাটিয়ে দিব – ইচ্ছা সকালে আরেকবার পানির নীচে নামার, রাত [...]

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল:

গতবছরের শুরুতে কক্সেসবাজার থেকে টেকনাফ হেঁটে ট্রেক করার পর আরো কয়েকদিন ছুটি থাকায় আমি, রাহাত ভাই, ত্রিভুজ, মন্জু ভাই ও ইসতিয়াক সেন্টমার্টিনের পথে রওয়ানা দিয়েছিলাম। এর আগে অনেকবার এই দ্বিপে আসলেও কখন ডাইভিং বা স্নোরকলিং করা হয় নাই, রাহাত ভাইএর মাধ্যমে স্কুবা ডাইভিং এর মুজিব ভাই এর কাছে থেকে কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে আমরা পানির নীচের [...]

Expedition Ramakri and Boro Mowdok

Hello Travelers, Today I will tell you about our last month’s trip to Boro Mowdok. Though it was planned for ten persons but as one of us canceled in the last moment we had to go nine. We started our journey towards Bandarban by night coach on 24th December 2300 hour. Well, to make this [...]

প্রবাল দ্বীপে ভরা পূর্নিমায় বর্ষা যাপন…

ঘুরতে ঘুরতে বাউন্ডুলে আমাদের আর সাধারন ট্রিপ ভাল লাগে না…. মার্চ মাসে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ বীচ হেঁটে যাওয়ার পর সবাই চিন্তা করছিলাম আর কি ট্রিপ করা যায় যা কিনা একটু অন্যরকম হবে। চারুকলার সামনের ফুটপাথে বসে ভ্রমন বাংলাদেশের আড্ডায় প্রতিদিনি এর ওর মাথা থেকে হাজারো আজব আজব ট্রিপ প্ল্যান বের হয়, আমরা সাইফুল এর মুড়ি [...]

সুন্দরবনে ভেসে চলা… (ফটো ব্লগ)

২০০৫ সালের শেষের দিকে ৩য় বারের মত ঘুরতে গেলাম সুন্দরবন, আগের দুইবার অনেক বছর আগে মায়ের কোলে চড়ে পিকনিক করতে গেছিলাম শুধু এইটুকু মনে আছে। “গাইড ট্যুরস” নামের পর্যটন সংস্হার জাহাজে ৩ রাত ৪ দিন এর প্যাকেজ ট্যুর। এই ট্যুরের উদ্যক্তা আমার আগের অফিসের বস স্টিভ। আমরা প্রায়ই এখানে ওখানে যেতাম ঘুরতে, সুন্দরবনের কথা শুনে [...]

বিরিশিরি ও রানিক্ষং এর পথে সমেশ্বরী নদীতে..

গত বছরের মার্চ মাসে আমি আর সোহেল ঠিক করলাম কোথাও ঘুরতে যাবো, উপলক্ষ ২ টা। ওর নতুন সনি ডিএসএলআর আলফা২০০ ক্যামেরা দিয়ে কিছু ছবি তোলা ঢাকার বাইরে আর আমার পাগলামির নতুন সংযোজন ইনফ্লেটেবল নৌকা টা চালিয়ে পরীক্ষা করা।

বিজয় স্বরণি তে গ্রামীনফোনের একটা বিলবোর্ডে বিরিশিরির নদীটার ছবি দেখে মনে গেঁথে ছিল।

প্যাগসাংহানের ঝরনা ও পাহাড়ি ক্ষরস্রোতা নদীতে নৌকা !

প্যাগসাংহান জল প্রপাত এবং এর থেকে সৃষ্ট খরস্রোতা নদী ফিলিপাইনের কয়েকটি নামকরা পর্যটন যায়গার একটি। ম্যানিলা থেকে ২/৩ ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে লুজোন শহরে যেতে হবে বাসে অথবা গাড়ি নিয়ে। বাসে গেলে লুজোন থেকে জীপনি (চান্দের গাড়ি টাইপ) নিয়ে বোট ষ্টেশনে যেতে হবে। এখান থেকে প্যাগসাংহান নদীর পাহাড় ছেড়ে সমতল এ যাত্রা শুরু হয়েছে। বোট ষ্টেশনে আমরা ৪ জন কাপড় চেন্জ করে স্যান্ডেল আর হালকা কাপড় পড়ে গায়ে লাইফ জ্যাকেট বেঁধে ২ টা ক্যানু নিয়ে রওনা দিলাম। যারা ক্যানু কি ভাবছেন তাদের জন্য, ক্যানু একধরনের লম্বা নৌকা, অনেকটা আমাদের দেশের তাল গাছ খুদে যে নৌকা গুলো তৈরী হয় তেমন দেখতে। একেকটা ক্যানুতে সামনে পেছনে ২ জন মাঝি ও মাঝে আমরা ২ জন যাত্রি।

নিঝুম দ্বীপে কয়েক দিন (বাউন্ডুলে দের জন্য)…

কিছু দিন পর পর ঢাকার বাইরে না গেলে আমার পা সুর সুর করতে থাকে, যখন কোথাও যেতে পারিনা কাজের চাপে তখন অবসর সময়ে নেটে গবেষনা করতে থাকি কোথায় যাওয়া যায় তা নিয়ে। এই গবেষনার কোনো সিমানা নাই, কখনো প্ল্যান করি চিটাগাং থেকে আকাশপথে থাইল্যান্ড হয়ে রেলপথে মালয়সিয়া বা সিংগাপুর, কখনো চিটাগাং থেকে চান্দের গাড়ি তে বান্দরবান হয়ে হাটা পথে পুকুরপাড়া,থানচি বা বগা লেক…

২০০৭ সালের কথা, গবেষনা করতে করতে বেরিয়ে এলো কোনো একটা পত্রিকার লেখা ও ছবি, নিঝুম দ্বীপ নিয়ে- হরিনের ছবি দেখে চোখ কপালে উঠে গেল। ঠিক করলাম পরের ছুটিতেই বেরিয়ে পড়বো। তখন ফেসবুকের ঘুরাঘুরি করা গ্রুপ “ভ্রমন বাংলাদেশ”এর খবর জানা ছিল না, বন্ধু বান্ধব দের তোষামুদি করতে লাগলাম সঙ্গি হওয়ার জন্য। খুব একটা আগ্রহ দেখালো না কেউ, হরিন এর গল্পও মনে হয় কেউ বিশ্বাস করলো না, যাই হোক শেষ পর্যন্ত আমরা দুই বন্ধু (আমি আর সোহেল) বেরিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।